
মাজহারুল ইসলাম উজ্জ্বল,
কেন্দুয়া(নেত্রকোণা)প্রতিনিধিঃ
নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার রায়পুর পিজাহাতী দাখিল মাদরাসা কেন্দ্রে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি (ভোকেশনাল) নবম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষা-২০২৬ সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর)সকাল ১০টায় ইংরেজি-১ বিষয়ের পরীক্ষার মধ্য দিয়ে দিনের পরীক্ষা শুরু হয়। পরীক্ষা চলে দুপুর ১টা পর্যন্ত।
বৃহস্পতিবার (১ নভেম্বর) থেকে শুরু হওয়া এ পরীক্ষা আগামী ২৬ নভেম্বর শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
পরীক্ষার প্রথম দিনে ইংরেজি-১ বিষয়ে মোট ৩২৫ জন পরীক্ষার্থীর অংশগ্রহণের কথা থাকলেও পরীক্ষায় উপস্থিত ছিল ৩১০ জন। অনুপস্থিত ছিল ১৫ জন শিক্ষার্থী।
এ কেন্দ্রে মোট আটটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো-গড়াডোবা আব্দুল হামিদ উচ্চ বিদ্যালয়, রায়পুর পিজাহাতী দাখিল মাদরাসা, সাজিউড়া উচ্চ বিদ্যালয়, তাবিউল মুরসালিন নগর কারিগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মৌলানা তৌহিদুল ইসলাম কারিগরি স্কুল, রাবিয়া শামছুদ্দিন কারিগরি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ, নাজমা বায়জিদ একাডেমি এবং মগরাইল আদর্শ কারিগরি ইনস্টিটিউট।
সরেজমিনে পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনে দেখা যায়,শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।পরীক্ষার্থীরা নির্বিঘ্নে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে।শিক্ষক ও পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়,কেন্দ্রের সার্বিক পরিবেশ ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে তাঁরা সন্তুষ্ট।
রায়পুর পিজাহাতী দাখিল মাদরাসা পরীক্ষা কেন্দ্রের কেন্দ্র সচিব মো.হারুন অর রশিদ বলেন, “শিক্ষার্থীরা যাতে সম্পূর্ণ নির্বিঘ্ন ও ভয়মুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা দিতে পারে, সে বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। পরীক্ষা গ্রহণে স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি পরীক্ষার হলরুম সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় রয়েছে। ক্যামেরাগুলো সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হচ্ছে, যাতে পরীক্ষার পরিবেশ সুষ্ঠু থাকে এবং কোনো ধরনের অনিয়মের সুযোগ না থাকে।”
তিনি আরও বলেন,“সরকারের পক্ষ থেকে পরীক্ষা কেন্দ্রে বিকল্প বিদ্যুৎ ব্যবস্থার জন্য আইপিএস,ফটোকপি মেশিন ও প্রিন্টার সরবরাহের কথা জানানো হয়েছিল। কিন্তু বরাদ্দ না পাওয়ায় কেন্দ্রের কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে মাদরাসা কর্তৃপক্ষের নিজস্ব অর্থায়নে আইপিএস, ফটোকপি মেশিন ও প্রিন্টার কেনা হয়েছে। বিশেষ করে বিদ্যুৎ চলে গেলেও যেন সিসিটিভি ক্যামেরা ও প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সচল রাখা যায়,সে বিষয়টি বিবেচনায় রেখেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”
কেন্দ্র সচিবের মতে,পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ,শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। পরীক্ষার শেষ দিন পর্যন্ত এ ধারাবাহিকতা বজায় রাখার বিষয়ে তাঁরা আশাবাদী।
সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা,কেন্দ্রের বর্তমান সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় রেখে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরীক্ষা সম্পন্ন হবে।
