
কোহিনূর আলম, কেন্দুয়া (নেত্রকোণা) প্রতিনিধিঃ
মেসার্স হিমালয় ফিলিং স্টেশন নেত্রকোণার কেন্দুয়া পৌর শহরের সাউদপাড়ায় অবস্থিত।জ্বালানি তেলের জন্যে গত দুই দিন যাবত সকাল থেকেই ট্রাক,বাস,বিশেষ করে মোটর বাইক ও অন্যান্য যানবাহনের ভিড় আগের চেয়ে বেশি চোখে পড়েছে এখানে।চাহিদা বেড়েছ আগের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ।
শনিবার(৭ মার্চ) সকালে কথা হয় কয়েকজন ক্রেতার সাথে।কেউ বলছেন,তার যতটুকু প্রয়োজন ততটুকুই তেল নিচ্ছেন।তবে অধিকাংশই বলছেন, ট্যাংকি ভরে বা একটু বেশি করে নিয়ে যাবো। বলা তো যায় না কখন কী হয়,তেল পাওয়া যায় কিনা।সরকার তো বলছে, এখন পর্যন্ত তেলের যথেষ্ট মজুদ রয়েছে; তাহলে?জবাব মিলছে,সরকারের পক্ষে তা রক্ষা করা সম্ভব হবে না। এদের মধ্যে একজন গত সরকারের পেঁয়াজের দামের প্রসঙ্গ টেনে নিয়ে আসেন। কেউ বা আবার খুচরা বাজারে কৃত্রিম তেলের সংকটের সিন্ডিকেটের কথাও উল্লেখ করেন।
ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বরত একজন বলেন, তেলের চাহিদা এখন বেশি। তবে আমরা সরকার নির্ধারিত দামে প্রতি গাড়ির জন্যে সর্বোচ্চ বরাদ্দ তেলই দিচ্ছি। কাউকে কম বা বেশি দিচ্ছি না।তবে কিছু কাস্টমার জেদ ধরেন।
এ বিষয়ে মেসার্স হিমালয় ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক মো.গোলাম মওলা জানান, দুই দিন যাবত চাহিদা বেড়েছে প্রায় দিগুণ।যেমন- পেট্রোলের চাহিদা আগে যেখানে গড়ে প্রতিদিন ৭০০শ’/৮০০শ’ লিটার ছিলো এখন সেখানে ১৪০০শ’/১৫০০ শ’ লিটার বিক্রি হচ্ছে।তবে এটাও নিশ্চিত করেন তিনি, এখনো পর্যন্ত তেলের কোন ক্রাইসিস নেই। মূলত মানুষের মধ্যে একটি আতঙ্ক কাজ করছে,তাই হঠাৎ করে চাহিদা বেড়ে গেছে।
উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির ফলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন সৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হওয়ার প্রেক্ষাপটে জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং জ্বালানি সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে সরকার কতিপয় আগাম সতর্কতামূলক পদক্ষেপের বিজ্ঞপ্তি জারি করেছেন।
