সর্বশেষ
13 Mar 2026, Fri

কেন্দুয়ায় ফল বিক্রেতার ফলজ গাছ কেটে ফেললো দুর্বৃত্তরা

কোহিনূর আলম,কেন্দুয়া (নেত্রকোণা) প্রতিনিধিঃ

নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় পূর্ব শত্রুতার জেরে এক ফল বিক্রেতার আম, কাঁঠাল, সুপারী ও কলা গাছসহ ২শত ফলজ চারাগাছ কেটে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা। যার আনুমানিক ক্ষতির পরিমাণ দেড় লক্ষ টাকা।

ঘটনাটি ঘটেছে গড়াডোবা ইউনিয়নের বান্দনাল গ্রামের আলীমুদ্দিনের বসত বাড়ির জমিতে।ঘটনার দিন রাতে আলীমুদ্দিন (৭০) নিজে ও তাঁর মেয়ে শামসুন্নাহার (২০) ছাড়া বাড়িতে আর কেউ ছিলেন না।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারী) বিকালে আলীমুদ্দিনের ছেলে ফল বিক্রেতা মো. মাহবুব মিয়া (৩০) কেন্দুয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগও দায়ের করেন।

এতে বিবাদী হিসেবে একই ইউনিয়নের কালেঙ্গা গ্রামের মৃত ইসমাইলের ছেলে ১. মো. তোফাজ্জল হোসেন (৪০) ও বান্দনাল গ্রামের আওয়ালের ছেলে ২. মো. মানিক মিয়ার (৩০) নাম উল্লেখ করা হলেও গত ১৩ জানুয়ারী দিবাগত রাত ও ১৪ জানুয়ারী সকাল ৭ ঘটিকার আগ মুহূর্তে কে বা কারা তাঁর গাছগুলো কেটেছে কেউ দেখেননি।তবে বিবাদীর সাথে পূর্ব হতে বিভিন্ন বিষয়াদী নিয়ে বিরোধ চলছিলো তার। রোপনকৃত ফল গাছের ক্ষেতের পাশে উক্ত ১নং বিবাদীর জমি রয়েছে। গত ১ মাস পূর্বে উক্ত বিবাদীর সাথে তার ফসলীয় জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে তর্ক-বির্তক হয়।এক পর্যায়ে উক্ত বিবাদী বলতে থাকেন,রোপনকৃত গাছগুলো বড় হয়ে গেছে, গাছগুলো কেটে বাদীর জায়গায় রাখতে হবে।আর যদি তা না করে তাহলে গাছগুলো কেটে ফেলবে এবং তিনি যদি একা না পারেন তার ভাগিনারা গাছ কাটতে তাকে সাহায্য করবে বলে হুমকী প্রদান করেন। এছাড়া গত ১৩ জানুয়ারী বিকালে উক্ত বিবাদীর ভাগিনা মো. মানিক মিয়া বাদীর জমির রোপনকৃত ফল গাছের পাশের জমির আইলের মাটি কাটে। বাদীর ধারনা উক্ত বিবাদীদ্বয়সহ অন্যান্য বিবাদীগন পূর্ব শত্রুতার জেরে তার জমিতে প্রবেশ করে রোপনকৃত বিভিন্ন প্রজাতির ২০০টি ফলের গাছ কেটে ফেলেছে। অভিযোগে বাদী আরো উল্লেখ করেন, বিবাদীদ্বয় কর্তৃক তিনিসহ তার পরিবারের লোকজনদের যে কোন ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা বিরাজমান।

সরেজমিনে গেলে, অভিযোগকারী মো. মাহবুব মিয়া বলেন, আমি টঙ্গীতে ফল বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করি। আমি উক্ত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করি। তাছাড়া আমি এখন নিরাপত্তাহীনতার ভয়েও আছি।

প্রতিবেশী ফয়জুদ্দিন (৬০)সহ স্থানীয়দের সাথে কথা হলে সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান তারা।

এ বিষয়ে কেন্দুয়া থানা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মিহির রঞ্জন দেব বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *