সর্বশেষ
13 Mar 2026, Fri

কবি নেহাল হাফিজ:জানাজা শেষে সমাধিস্থ

কোহিনূর আলম, কেন্দুয়া (নেত্রকোণা) প্রতিনিধিঃ

দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর বৃহস্পতিবার(২৭ নভেম্বর)সন্ধ্যায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎধীন অবস্থায় পাড়ি দিলেন না ফেরার দেশে।আজ(২৮ নভেম্বর) জানাজা শেষে তাঁকে সমাধিস্থ করা হয়।

ভাগ্যিস! তুমি বেঁচে গেলে সীতা (১৯৯৭) কাব্যগ্রন্থটি তাঁর প্রথম প্রকাশিত। নীল বোতামের কাব্য (২০১৭),নীল নীলিমার নীলে (২০১৮) নামেও আরো দুটি একক কবিতার বই প্রকাশ পেয়েছে তাঁর। এছাড়া যৌথভাবে প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ যুগলবন্দী ও তাঁর সম্পাদনায় হেলাল হাফিজের অপ্রকাশিত কথামালা নামে একটি বই প্রকাশিত হয়।

ভীষণ নিভৃতচারী ও জীবন সংগ্রামী কবি নেহাল হাফিজ এঁর জন্ম ১৯৭৩ সালের ৩ জানুয়ারি নেত্রকোণায়।তবে জীবনের আলপথ পেরিয়ে অনেকটা সময় তিনি কাটিয়েছেন কেন্দুয়ায়। এখানে নিজেকে সম্পৃক্ত করেছিলেন এক ভিন্ন আঙ্গিকে। তিনি বিয়ে করেছিলেন চিরাং ইউনিয়নের বাট্টা গ্রামে। কেন্দুয়া রিপোর্টার্স ক্লাব ও চর্চা সাহিত্য আড্ডাসহ আমৃত্যু জড়িয়েছিলেন বিভিন্ন সংগঠন ও সৃষ্টিশীল মানুষের সাথে।কবি নেহাল হাফিজের স্কুল জীবন থেকেই সাহিত্য-সংস্কৃতির প্রতি ছিলো গভীর আগ্রহ।আপাদমস্তক কবিতাই ছিলো তাঁর নেশা,তাঁর পরিচয়।তিন ভাইয়ের মধ্যে তিনি ছিলেন কনিষ্ঠ,দেশবরেণ্য কবি হেলাল হাফিজ ছিলেন তাঁর বড় ভাই ; যিনি গত বছর ১৩ ডিসেম্বর মারা যান।

মণীষা সুলতানা (নেলী) ও বিপাশা সুলতানা (নীলা) নামে কবি নেহাল হাফিজের দুই কন্যা রয়েছে।

মণীষা জানান, “বয়সজনিত নানান জটিলতায় ভুগছিলেন বাবা। গত সপ্তাহে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেলে ভর্তি করি।সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।”

উল্লেখ্য, কবির প্রথম জানাজার নামাজ সকাল ১০টায় কেন্দুয়া জয় হরি স্প্রাই সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় খেলার মাঠে ও দ্বিতীয় জানাজার নামাজ বেলা আড়াইটার নিজ গ্রাম চানখাঁ বড়তলীতে অনুষ্ঠিত হয় এবং ওখানেই তাঁকে সমাধিস্থ করা হয়।

তাঁর মৃত্যুতে সাহিত্য অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *