সর্বশেষ
13 Mar 2026, Fri

কেন্দুয়ায় মরহুম মোহাম্মদ আলী খানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে দোয়া ও স্মরণসভা অনুষ্ঠিত

মাজহারুল ইসলাম (উজ্জ্বল)
কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) প্রতিনিধিঃ

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় সান্দিকোনা ইউনিয়ন বিএনপি’র সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আলী খানের ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে দোয়া ও স্বরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।৬ নং সান্দিকোনা ইউনিয়ন বিএনপি ও সকল অঙ্গ সংগঠনের আয়োজনে বুধবার (২৫ জুন) বিকালে সান্দিকোনা স্কুল এন্ড কলেজ প্রাঙ্গণে এ স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সান্দিকোনা ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নেত্রকোনা জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব ও নেত্রকোনা-৩ (কেন্দুয়া-আটপাড়া) আসনের ধানের শীষের বারবার মনোনয়নপ্রাপ্ত আলহাজ্ব ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী।

সভায় অন্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন,
নেত্রকোণা জেলা কৃষক দলের সভাপতি সালাউদ্দিন খান মিল্কী,সাধারণ সম্পাদক এড. বাবুল রফিক,কেন্দুয়া উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি জয়নাল আবেদীন ভূঁইয়া,কেন্দুয়া উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান ভূঁইয়া মজনু, কেন্দুয়া পৌর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন খান, কেন্দুয়া উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি ও প্রয়াত মোহাম্মদ আলীর পুত্র মাহাবুবুর রহমান খান মহসিন, বিএনপি নেতা মোসলেম আহমেদ, শাহীন আলম সাকি, জসিম উদ্দিন আহমেদ,পৌর সচিব সাইফুল ইসলাম শান্তি,সান্দিকোনা ইউনিয়ন যুবদল নেতা হাবুল মিয়া,উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক সাইফুল আলম ভূঁইয়া,সান্দিকোনা ইউনিয়ন ছাত্রদল নেতা মেহেদী হাসান রবিসহ আরও অনেকেই। সঞ্চালনায় ছিলেন
সান্দিকোনা ইউনিয়ন যুবদল নেতা
মাজহারুল ইসলাম হলুদ।

শেষে প্রয়াত মোহাম্মদ আলীসহ বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিয়াউর,ইউনিয়ন ও উপজেলার প্রয়াত বিএনপি নেতৃবৃন্দের মাগফেরাত এবং বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ তার পরিবারবর্গের সুস্বাস্থ্য কামনায় বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আলহাজ্ব ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী বলেন,“মোহাম্মদ আলী খান শুধু একজন জনপ্রতিনিধি ছিলেন না, তিনি ছিলেন জাতীয়তাবাদী আদর্শে উজ্জীবিত একজন নির্ভীক সৈনিক। তাঁর ত্যাগ, সততা আর নিষ্ঠায় সান্দিকোনায় যে বিএনপির শক্ত ভিত গড়ে উঠেছিল—তা আজো আমাদের অনুপ্রেরণা দেয়।তাঁর শূন্যতা আমরা আজও পূরণ করতে পারিনি”।

সাবেক ছাত্রনেতা হিলালী আরও বলেন,আওয়ামী লীগ যখন দমন-পীড়নের রাজনীতি শুরু করেছিল, তখন মোহাম্মদ আলী বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। তিনি কখনও আপস করেননি, মাথা নত করেননি। তাঁর মৃত্যু ছিল একটি পরিকল্পিত রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড। তাঁকে নির্মমভাবে হত্যা করে তারা ভেবেছিল, সান্দিকোনাকে আজীবন ত্রাসের রাজত্বে রাখবে। কিন্তু প্রকৃতি কাউকে ছাড় দেয় না। আজ তারা কোথায়? ইতিহাস তাদের বিচার করেছে, করছে, এবং করবে।

উল্লেখ্য, সান্দিকোনা ইউনিয়নের খিদিরপুর গ্রামের বাসিন্দা ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ছিলেন মোহাম্মদ আলী খান। ২০১৪ সালে ২৫ জুন রাতে বাড়ির সামনে একদল দুষ্কৃতকারী তাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *